ট্যাক্স ডে পরবর্তী বিলম্ব সুদ ও জরিমানা: ধারা ১৭৪ ও সময় বৃদ্ধির আবেদন পদ্ধতি
৩০ নভেম্বরের পর রিটার্ন দিলে মাসিক ২% বিলম্ব সুদ, জরিমানা এড়ানোর নিয়ম এবং সময় বৃদ্ধির ফরম-১৬ আবেদনের সম্পূর্ণ গাইড।
- ট্যাক্স ডে (৩০ নভেম্বর) এর পর রিটার্ন দাখিল করলে প্রদেয় করের ওপর প্রতি মাসে ২% বিলম্ব সুদ ধার্য হয়।
- বিলম্ব দাখিলের ক্ষেত্রে ৫% বিশেষ কর প্রণোদনা সুবিধা বাতিল হয়ে যায়।
- সময় বৃদ্ধির আবেদন অনুমোদিত হলে সর্বোচ্চ ২ থেকে ৪ মাস পর্যন্ত সময় পাওয়া যায়।
১. বিলম্ব সুদের হার ও হিসাব পদ্ধতি (ধারা ১৭৪)
ট্যাক্স ডে অতিবাহিত হওয়ার পর প্রতি মাসের জন্য (আংশিক মাসসহ) প্রদেয় করের ওপর ২% হারে সরল সুদ আরোপিত হয়। সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত এই বিলম্ব সুদ গণনা করা হতে পারে।
২. সময় বৃদ্ধির আবেদন (Time Extension Application)
যুক্তিসঙ্গত কারণ (যেমন অসুস্থতা বা বিদেশে অবস্থান) থাকলে ট্যাক্স ডে-এর পূর্বেই উপ-কর কমিশনার বরাবরে ফরম-১৬-তে সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যায়।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর ও আইনি সমাধান (FAQ)
প্রশ্ন: আমার কোনো প্রদেয় কর নেই (শূন্য কর), আমার কি বিলম্ব সুদ আসবে?
উত্তর: প্রদেয় কর শূন্য হলে শতকরা বিলম্ব সুদ শূন্য হবে, তবে দেরিতে দাখিলের জন্য এনবিআর নির্দিষ্ট সাধারণ বিলম্ব ফি আরোপ করতে পারে।
উপসংহার ও কর পরামর্শ
যথাসময়ে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিয়ে জরিমানা ও অতিরিক্ত সুদ এড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
এই আর্টিকেলের সমস্ত তথ্য, কর হার, সীমা এবং আইনি ব্যাখ্যা বাংলাদেশ আয়কর আইন ২০২৩, অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্রের আলোকে সংকলিত।
আপনার সঠিক আয়কর ও বিনিয়োগ রেয়াত হিসাব করতে চান?
২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ক্যালকুলেটরে এক ক্লিকে সম্পূর্ণ নির্ভুল হিসাব দেখুন।
সম্পর্কিত আর্টিকেল ও প্রামাণ্য গাইড
আয়কর আইন ২০২৩ ও রাজস্ব অধ্যাদেশের আলোকে প্রাসঙ্গিক নির্দেশিকাসমূহ